Skip to main content

আপনি কি গ্যাস্টিক সমস্যায় ভুগছেন?? তাহলে এখনি জানুন সমস্যা দূর করার উপায়গুলো !!




কারোও গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা থাকলে তার যেকোনো খাবার থেকেই গ্যাসের সমস্যা হতে পারে। সারাদিন কাজের চাপে অথবা ঠিকমত খাবার না খাওয়ার কারণেও গ্যাসের সমস্যা হতে পারে। পেটে গ্যাস হওয়া হজম প্রক্রিয়ারই একটি অংশ।

এটা ছাড়া ঠিকমতো হজম প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয় না। গ্যাস্ট্রিক সমস্যা তখনই হয় যখন এই গ্যাস অতিরিক্ত হারে তৈরি হতে থাকে এবং সময়মতো বের হতে পারে না। গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা দূর করে এমন কিছু খাবার সম্পর্কে জেনে নেয়া যাক-

দারুচিনি
এক গ্লাস গরম দুধের মধ্যে এক চামচ দারুচিনির গুঁড়া ভালো করে গুলিয়ে পান করা যেতে পারে। সঙ্গে মধুও মেশানো যেতে পারে। অথবা এক গ্লাস গরম পানিতে এক চামচ দারচিনির গুঁড়া ভালো করে মিশিয়ে ২-৩ মিনিট পরে পান করা যেতে পারে। 

ঘোল
ঘোল পান করলে গ্যাস্ট্রিক কমে যায়। সকালে ঘুম থেকে উঠে এক গ্লাস ঘোল পান করা যেতে পারে। গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা দূর হয়ে যাবে। 

আদা
বদ হজম ও ক্ষুধামন্দায় আদা কিংবা আদার গুঁড়া খাওয়া যেতে পারে। প্রত্যেক বেলার প্রধান খাবার গ্রহণের পরে তাজা ছোট এক টুকরা আদা চিবিয়ে খাওয়া যেতে পারে। অথবা আদা চা পান করা যেতে পারে। কয়েক টুকরা আদা পানির মধ্যে দিয়ে ফুটিয়ে নিয়ে আদা চা তৈরি করা হয়। দিনে ২-৩ বার আদা চা খেলে গ্যাস কমে যায়। 

বাদাম
প্রতিদিন কয়েকটি বাদাম খেলে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা হবে না। 

বেকিং সোডা ও লেবু
একটি গ্লাসে অল্প পরিমাণ তাজা লেবুর রসের মধ্যে কিছু পরিমাণ বেকিং সোডা ঢেলে দিতে হবে। মিশ্রণটি জমে গেলে তার উপর পানি এবং আর একটু বেকিং সোডা মিশিয়ে ভালোভাবে গুলিয়ে নিতে হবে। আস্তে আস্তে মিশ্রণটি পান করতে হবে। তাছাড়া খালি পেটে এক গ্লাস পানির মধ্যে সামান্য পরিমাণ বেকিং সোডা মিশিয়ে পান করলে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা দূর হয়ে যায়। 

রসুন
রসুনের স্যুপ খেলে গ্যাস্ট্রিক কমে যায় এবং হজম প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হয়। কিছু পরিমাণ রসুন পিষে পানিতে মিশিয়ে কয়েক মিনিট ধরে ফোটাতে হবে। এর সঙ্গে গোলমরিচ এবং জিরা মিশিয়ে কিছুক্ষণ রেখে ঠাণ্ডা করতে হবে। ঠাণ্ডা হলে মিশ্রণটি পান করতে হবে। এভাবে দিনে দুই থেকে তিন বার ব্যবহার করতে থাকলে গ্যাস্ট্রিক কমে আসবে। 

মৌরি
মৌরি চিবিয়ে খাওয়া যেতে পারে। অথবা গরম পানির মধ্যে কিছু পরিমাণ মৌরি মিশিয়ে পাঁচ মিনিট ধরে ঠাণ্ডা করে পাঁচ মিনিট পরে পান করতে হবে। এতে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা দূর হয়ে যাবে। 

পানি
প্রতিদিন আট গ্লাস পানি পানে অনেক সমস্যা থেকেই মুক্তি পাওয়া যাবে। শরীরের বিষাক্ত পদার্থ দূর করে দ্রুত খাবার হজমে সাহায্য করে পানি। এতে কমে যায় অ্যাসিডিটি। 

বেকিং সোডা
বেকিং সোডা পেটের অ্যাসিডের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে এবং গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা থেকে তাৎক্ষণিক রেহাই পেতে সাহায্য করে। এক গ্লাস পানিতে ১/৪ চা চামচ বেকিং সোডা মিশিয়ে পান করলে ভালো ফলাফল পাওয়া যাবে। 

হলুদের পাতা
হলুদের পাতা কুচি করে কেটে প্রতিদিন দুধের সঙ্গে মিশিয়ে পান করতে হবে। এতে করে পেটে ব্যথা এবং গ্যাসের সমস্যার সমাধান হবে। দুই কাপ পানি পেয়ারা পাতা দিয়ে ফুটিয়ে নিন। পানি ১ কাপ পরিমাণে হলে ছেঁকে পান করুন। এতেও বেশ ভালো উপকার হবে। 

আনারস
আনারস খেলে অ্যাসিডিটি কমে যায়।

Comments

Popular posts from this blog

ব্রেকিং- লাদাখে সংঘর্ষে ভারতের ২০ সৈন্য নিহত..

ভারত-চীন সীমান্তের লাদাকের গালওয়ান উপত্যকায় দুই দেশের সেনাবাহিনীর সংঘর্ষে ভারতের অন্তত ২০ সেনা নিহত হয়েছে। মঙ্গলবার ভারতের সরকারি সরকারি একটি সূতের বরাত দিয়ে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে দেশটির সংবাদসংস্থা এএনআই। লাদাখে দুই দেশের সৈন্যদের মাঝে শারীরিক সংঘর্ষের সময় এই প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। ভারতীয় সেনাবাহিনীর সদস্যদের প্রাণহানির সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে এএনআইকে জানিয়েছে ওই সূত্র। সোমবার রাতে দুই দেশের সেনাবাহিনীর সদস্যদের মাঝে উত্তেজনা প্রশমনে শুরু হওয়া আলোচনা সংঘাতে রূপ নেয়। মঙ্গলবার ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সোমবার রাতে লাদাখের গালওয়ান উপত্যকায় চীনা সৈন্যরা ভারতীয় ভূখণ্ডে প্রবেশের চেষ্টা করলে বাক-বিতণ্ডা শুরু হয়। বাক-বিতণ্ডার এক পর্যায়ে তা শারীরিক সংঘাতে গড়ায়। এ সময় ইট-পাথর নিক্ষেপ এবং লাঠি নিয়ে আঘাত করা হয়। মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র অনুরাগ শ্রীবাস্তব বলেছেন, লাদাখে সংঘাতে উভয় দেশের সৈন্য হতাহত হয়েছে। সীমান্ত সংঘাতের এই ঘটনার পর ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং মঙ্গলবার দেশটির সামরিক বাহিনীর কর্মকর্তাদের সঙ্গে অন্তত দুটি বৈঠক করেছেন। বার্তাসংস্থা এএনআই অপর এক...

এ.পি.জে আব্দুল কালামের জীবন থেকে নেয়া একটি অসাধারন গল্প

“যখন আমি ছোট ছিলাম, আমার মা আমাদের জন্য রান্না করতেন। তিনি সারাদিন প্রচুর পরিশ্রম করার পর রাতের খাবার তৈরি করতেন। এক রাতে তিনি বাবাকে এক প্লেট সবজি আর একেবারে পুড়ে যাওয়া রুটি খেতে দিলেন।  আমি অপেক্ষা করছিলাম বাবার প্রতিক্রিয়া কেমন হয় সেটা দেখার জন্য। কিন্তু বাবা চুপচাপ রুটিটা খেয়ে নিলেন এবং আমাকে জিজ্ঞাসা করলেনi স্কুলে আমার আজকের দিনটা কেমন গেছে। আমার মনে নেই বাবাকে সেদিন আমি কি উত্তর দিয়েছিলাম কিন্তু এটা মনে আছে যে, মা পোড়া রুটি খেতে দেয়ার জন্য বাবার কাছে ক্ষমা চেয়েছিলেন। এর উত্তরে বাবা মা’কে যা বলেছিলেন সেটা আমি কোনদিন ভুলব না। বাবা বললেন, ‘প্রিয়তমা, পোড়া রুটিই আমার পছন্দ’।  পরবর্তীতে সেদিন রাতে আমি যখন বাবাকে শুভরাত্রি বলে চুমু খেতে গিয়েছিলাম তখন আমি তাকে জিজ্ঞাসা করলাম যে তিনি কি আসলেই পোড়া রুটিটা পছন্দ করেছিলেন কিনা।  বাবা আমাকে দুহাতে জড়িয়ে ধরে বললেন, ‘তোমার মা আজ সারাদিন অনেক পরিশ্রম করেছেন এবং তিনি অনেক ক্লান্ত ছিলেন। তাছাড়া একটা পোড়া রুটি খেয়ে মানুষ কষ্ট পায় না বরং মানুষ কষ্ট পায় কর্কশ ও নিষ্ঠুর কথায়। জেনে রেখো, জীবন হচ্ছে ত্রুট...

শুকনা মরিচের ৭টি দারুণ গুণের কথা জেনে নিন !!

প্রিয় খাবারের মধ্যে বাঙালিদের অনেকেই ভাজা শুকনা মরিচ বা লাল মরিচের কথা উল্লেখ করেন। পোড়া মরিচ দিয়ে ভর্তা বানিয়ে সেটা দিয়ে ভাত, আহা নির্ঘাত আপনার জিভে জল। কেউ একটু ডিম ভেজে নেবেন, কেউ মাছ, কেউ আবার ঘি ভাতে পোড়া মরিচ নেবেন। কাঁচা বা সবুজ মরিচও কম যায় না। মোট কথা খাবার হবে ঝোলে-ঝালে। তবে আপনি যদি এসিডিটির শিকার হয়ে থাকেন কাঁচা মরিচ, শুকনা মরিচ, তেল, ঝাল সবই আপনার জন্য পরিমিত, ক্ষেত্র বিশেষে নিষিদ্ধ। তবে শুকনা মরিচের ৭টি দারুণ গুণের কথা জেনে নিন- ১) লাল মরিচের ক্যাপসাইসিন উপাদান আপনাকে মোটা হওয়া থেকে রুখবে, যত বেশি শুকনা মরিচ তত শুকনা! ২)খিদে কমাবে। এই ক্যাপসাইসিন উপাদানটি আপনার ক্ষুধা কমিয়ে আনবে। সবসময় একটি পেট ভরা অনুভূতি কাজ করবে। ৩)উচ্চরক্ত চাপ কমাতেও একটি ভালো ভূমিকা পালন করবে এই মরিচ। এর অন্যতম উপাদান আঁশ যা রক্ত সঞ্চালনে সহায়তা করে। ৪) হজম শক্তি বাড়ায়। আঁশ জাতীয় খাবার হওয়ার কারণে হজম বাড়ে। ৫) গিটে গিটে ব্যথা কমায়, মরিচে থাকা ভিটামিন-ই ব্যাথা কমানোর কাজ করে। ৬) লাল মরিচে থাকা ফাইটোনিউট্রিয়েন্টস কোলন ক্যান্সার ও স্তন ক্যান্সার রোধে কাজ করে। ৭)লাল মরিচে পর্যাপ...